এবার প্রতিশ্রুতির বাকী কাজ সমাপ্ত করবো পল্টু

0 ৮৬
স্টাফ রিপোর্টার :  আসন্ন ২১ জুন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে এবার বিজয়ী হলে তাঁর দেয়া প্রতিশ্রতির অসমাপ্ত কাজ গুলো সমাধান করবেন বলে জানালেন রাসিক ২৫ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো.তরিকুল আলম পল্টু।
শুক্রবার তাঁর ওয়ার্ডে প্রচার প্রচারণা শেষে সাংবাদিকদের এরকম কথা-ই বলছিলেন মো.তরিকুল আলম পল্টু।
তিনি বলেন,আমি ব্যাডমিন্টন র‌্যাকেট প্রতীকে কাউন্সিলর পদে প্রতিদন্দিতা করছি। এবারে ২৫ নং ওয়ার্ডের ভোটাররা আমাকে ভোট দিয়ে আবারও বিজয়ী করবে বলে আমি আশাবাদী। কেননা বিগত যে কোন সময়ের তুলনায় আমার ওয়ার্ডে বিগত পাঁচবছরে সর্বোচ্চ উন্নয়ন হয়েছে।রাস্তাঘাট, ড্রেন,কালভার্ট,স্কুল,কলেজ,মাদ্রাসা,মসজিদ,ঈদগাহ,গোরস্থান,আলোকায়নসহ বিভিন্ন উন্নয়ন করতে পেরেছি।
বিগত ২৫ বছর কাউন্সিলর ছিলাম,আমি এবার কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার পরই আমাদের নগরপিতা এএইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন একনেকে উন্নয়ন বরাদ্দ হিসেবে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার প্রস্তাব রাখলে,
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তার স্নেহের ছোটভাই তুল্য এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের কথা এবং এ অঞ্চলের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর কথা বিবেচনা করে প্রস্তাবটি পাশ করেন৷
একনেকের উন্নয়ন প্রকল্পের প্রায় ২৮০০ কোটি টাকার মধ্যে আমরা ১৩০০ কোটি টাকার কাজ বাস্তবায়ন করতে পেরেছি। আমরা জনগণের ৯০ ভাগ প্রত্যাশা পূরণ করতে পেরেছি। আমার ওয়ার্ডের উন্নয়নের মধ্যে সবচাইতে সুন্দর সড়কে রাজমুকুট সড়ক বাতি এবং সড়কের একপাশে গার্ডেন লাইট সুন্দর ফুলের বাগান আমাদের জনগণকে মুগ্ধ করে।
তালাইমারী থেকে আলুপট্টি মোড় পর্যন্ত ফোরলেনের রাস্তা  করেছেন,ভবিষ্যত প্রজন্মের সুন্দর ভাবে বেড়ে ওঠার জন্য
তালাইমারী শহীদ মিনার মাট নির্মাণ করে সেখানে এখন  অনেক ছেলে-মেয়েরা খেলাধুলা করে।
জননেতা এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন ভায়ের প্রচেষ্টায়
এই অঞ্চলে ২৫ নং ওয়ার্ডের মধ্যে রাজশাহী সিটি হাসপাতালের মাধ্যমে ইশতেহারের ২৫ নং অর্থাৎ কর্মসংস্থানের ব্যাপক সুযোগ তৈরী হবে।
আমার ওয়ার্ডে যুবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষার জন্য মসজিদের ঈমাম-মুয়াজ্জিন-মুসল্লীদের মাধ্যমে পাড়ায় পাড়ায় মহল্লায় মহল্লায় মাদক বিরোধী কমিটি করে প্রায় ৯০ ভাগ মাদক মুক্ত করেছি। আবারও নির্বচিত হলে এখনও যারা এই ব্যবসায় জড়িত তাদের ডেকে বোঝাবো, এপথ থেকে সরে আসুন। এপথ শুধু আমার ওয়ার্ড নয়, দেশ জাতি ও সমাজের জন্য ভয়ঙ্কর খারাপ কাজ। একটি পরিবারে একজন মাদকসেবী থাকলে শুধু সে নয়,তার গোটা পরিবার,এমনকি আশপাশের মানুষের জন্যও ধ্বংসের কারণ। মাদক সমাজের সকলের শত্রু,আমি মাদকের বিরুদ্ধে সবসময় সোচ্চার ছিলাম,আছি থাকবো।
আমার নির্বচনী ইশতেহার এবার একটিই আছে,আমার দেয়া প্রতিশ্রুতির অসমাপ্ত কাজ গুলো সমাপ্ত করা।
আমার ওয়ার্ডের সচেতন নাগরিকদের বলতে চাই, আধুনিক রাজশাহীর রুপকার জননেতা এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন ভাইকে নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে বিজয়ী এবং সেইসাথে আমাকে ব্যাডমিন্টন র‌্যাকেট প্রতীকে ভোট দিয়ে পুনরায় নির্বাচিত করলে আমি আমার দেয়া ওয়াদা পুরণ করতে পারবো ইনশাআল্লাহ।

Leave A Reply

Your email address will not be published.