থানায় আটক করে নারীকে নির্যাতনের অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

0 ৭৭
মোহাঃ মাইনুল ইসলাম লাল্টু, শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি: মানসিক ভারসাম্যহীন ভাগ্নেকে ছাড়াতে গিয়ে শিউলী খাতুন নামে এক নারীকে আটক করে থানায় বর্বর নির্যাতনের পর কারাগারে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে।  ঘটনাটি ঘটেছে গত ১৩ সেপ্টেম্বর সকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ থানায়।
তবে মারধরের কথা অস্বীকার করে শিবগঞ্জ থানার ওসি চৌধুরী জোবায়ের আহমেদ বলেন, ছিনতাই ঘটনায় জনতার হাতে আটককৃত ইমনকে থানা থেকে ছাড়া না হলে আত্মহত্যার চেষ্টা করে তার খালা শিউলী খাতুন।
এসময় পুলিশ তাকে আটক করার চেষ্টা করলে সে উল্টো পুলিশকেই মারধর করেছে। এদিকে এঘটনায় আদালত থেকে জামিন লাভের পর আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের একটি হোটেলে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগি নারী শিবগঞ্জ উপজেলার দৌলতপুর কদমতলা গ্রামের আব্দুল মজিদের মেয়ে শিউলী খাতুন।
সংবাদ সম্মেলনে শিউলী খাতুন অভিযোগ করে বলেন, গত ১২ সেপ্টেম্বর রাতে তার বোনের ছেলে মানসিক ভারসাম্যহীন ইমনকে পুলিশ একটি ছিনতাই মামলায় আটক করে এবং পরেরদিন সকালে শিউলী ও তার মা সাহেলা বেগম ইমনকে দেখতে গিয়ে সে ভারসাম্যহীন দাবি করে ডাক্তারের চিকিৎসাপত্র দেখালেও পুলিশ তা না শুনে তাদেরকে নানারকম হুমকি ও ভয়ভীতি দেখায়।
পরে শিবগঞ্জ থানারও ওসি, এসআই সিরাজ, এএসআই শহিদুল ও এক মহিলা কনষ্টেবল শিউলী খাতুনকে বর্বর নির্যাতন করে এবং বেধরক মারধর করে তাকে প্রায় বিবস্ত্র করে হাসপাতালে ভর্তি করে। পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে আত্মহত্যার চেষ্টার মামলা দিয়ে কারাগারে পেরণ করে পুলিশ।
সংবাদ সম্মেলনে শিউলী খাতুন আরও অভিযোগ করে বলেন, পুলিশের হাতে জব্দকৃত মাদক তার সৎ ভাই দুলালকে দিয়ে পুলিশ ব্যবসা করায় এবং দুলালের সাথে তাদের পারিবারিক বিরোধের জের ধরে পুলিশ তার পক্ষ নিয়ে এই ঘটনা ঘটিয়েছে।
তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন। সংবদ সম্মেলনে ভুক্তভোগি শিউলী খাতুনের মাসহ পরিবারের অন্যসদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

Leave A Reply

Your email address will not be published.