নলডাঙ্গা পিপরুল ইউনিয়নে কাবিখা -কাবিটা প্রকল্পে হরিলুট

0 ৫২
স্টাফ রিপোর্টার, নাটোর: নাটোরে নলডাঙ্গা উপজেলার ৪ নং পিপরুল ইউনিয়নে কাবিখা-কাবিটা প্রকল্পে হরিলুট, বঞ্চিত দরিদ্র শ্রমিক। নাটোরে নলডাঙ্গা উপজেলার ৪নং পিপরুল ইউনিয়নে কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা) ও কাজের বিনিময়ে টাকা (কাবিটা) প্রকল্পে বড় ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে সরকারের গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আয় বৃদ্ধির কর্মসূচি ব্যাহত হচ্ছে। পিপরুল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কলিম উদ্দিন কলি ভাষ্যমতে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রায় ৭-৮টি রাস্তায় মাটি ফেলার কাজ চলছে।
সরজমিন দেখা গেছে, হালতি বিলে ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলম সোহাগ ও ইউপি সদস্য গোলাম ভেকু দিয়ে রাস্তা কাজ করছেন। গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে শ্রমিক দিয়ে মাটি কেটে এসব প্রকল্পের কাজ করার বাধ্যবাধকতার কথা থাকলেও, মেশিন দিয়ে সস্তায় মাটি কেটে সরকারের টাকা আত্মসাৎ করছেন এসব প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সদস্যরা। ওই ইউনিয়নের প্রায় সবগুলো প্রকল্প কমিটি শ্রমিক দিয়ে কাজ করার মাস্টাররোল অফিসে জমা দিলেও আসলে কাজ করছে এস্কেভেটর (স্থানীয়ভাবে ভেকু নামে পরিচিত) মেশিন দিয়ে।
রাস্তার পাশের মানুষের ফসলি জমি কেটে নেয়া হচ্ছে রাস্তার মাটি। এতে দরিদ্র শ্রমিকের পাশাপাশি কৃষকরাও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এসব অনিয়মের সবই হচ্ছে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের চোখের সামনে। কিন্তু, কাউকেই কোনো ব্যবস্থা নিতে দেখা যাচ্ছে না। অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে ম্যানেজ করে চলছে এই অনিয়ম ও দুর্নীতি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে পিপরুল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ কলিম উদ্দিন বলেন, আমার ইউনিয়নে ৭-৮টি রাস্তার কয়েকটা প্রকল্পে মেশিন দিয়ে কাজ চলছে।
নলডাঙ্গা উপজেলার ভারপ্রাপ্ত প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) ওমর খৈয়াম বলেন , শ্রমিকের পরিবর্তে ভেকু দিয়ে মাটি কাটার কাজ করার কোন সুযোগ নেই। যদি কেউ করে থাকেন, তার বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নলডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোছা রোজিনা আক্তার বলেন, খোঁজখবর নিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.