পায়রা বন্দর পরিদর্শন এবং বন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের সাথে রাসিক মেয়রের মতবিনিময়

0 ৫৫
প্রেস বিজ্ঞপ্তি: পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার পায়রা বন্দর পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দিনব্যাপী পায়রা বন্দরের বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন রাসিক মেয়র। পরিদর্শনকালে তিনি একটি আম গাছের চারা রোপণ করেন এবং পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, এরআগে সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টায় পায়রা বন্দরে পৌছালে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনকে ফুলেল শুভেচ্ছায় স্বাগত জানান পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল আবদুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী।

মঙ্গলবার পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় রাসিক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের নিকট বন্দরের সার্বিক কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়। সভায় রাসিক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন পায়রা বন্দরের সঙ্গে সুলতানগঞ্জ ও রাজশাহী নৌবন্দরের মধ্যে সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে ভারত থেকে পণ্য আমদানি-রপ্তানি এবং পায়রা বন্দর থেকে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় পণ্য পৌছে দেওয়ার রুট চালুকরণে পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা চান। এটি বাস্তবায়িত হলে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার এবং সরকারের রাজস্ব আয় বাড়বে এবং কর্মসংস্থান বাড়বে।

সভায় রাসিক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর সম্প্রতি রাজশাহীর গোদাগাড়ীর সুলতানগঞ্জ পোর্ট অব কল এবং ভারতে মুর্শিদাবাদের মায়া বন্দর থেকে সুলতানগঞ্জ পর্যন্ত নৌপথে পণ্যবাহী নৌযান চলাচল শুরু হয়েছে। আগামীতে রাজশাহী শহরেও নৌবন্দর স্থাপন করা হবে। সুলতানগঞ্জ ও রাজশাহীর নৌবন্দরের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের লক্ষ্যে পায়রা বন্দরে কার্যক্রম পরিদর্শনে এসেছি। এই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে চাই। নৌপথে বাণিজ্যের মাধ্যমে রাজশাহীর অর্থনীতি গতিশীল এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে চাই। এ কাজের পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা প্রয়োজন।

এ সময় পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ রাজশাহীর নৌবন্দরের উন্নয়নে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

সভায় উপস্থিত ছিলেন পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রকৌশল ও উন্নয়ন) কমডোর রাজীব ত্রিপুরা, সদস্য (হারবার এন্ড মেরিন) ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন (ট্যাজ), প্রকল্প পরিচালক ক্যাপ্টেন এম মনিরুজ্জামান, পরিচালক (বোর্ড) মোঃ আব্বাস উদ্দীন, পরিচালক (ট্রাফিক) মোঃ আতিকুল ইসলাম, হারবার মাস্টার (অতিঃদাঃ) ও ডক মাস্টার ক্যাপ্টেন এসএম শরিফুর রহমান, যুগ্ম পরিচালক (এস্টেট) অমিত চক্রবর্তী, উপ-পরিচালক (ট্রাফিক) আজিজুর রহমান, উপ-পরিচালক (প্রোগ্রামার) মোহাম্মদ ছোয়াদরুল আমিন, নির্বাহী প্রকৌশলী (জেটি) মোস্তফা আশিক আলী, পাইলট মোঃ সাইফুল ইসলাম ভূইয়া, যুগ্ম পরিকল্পনা প্রধান (অতিঃদাঃ) মোহাম্মদ আলী, উপ-পরিচালক (জেট) এসএম শাহাদৎ হোসেন, উপ-পরিচালক (নিরাপত্তা-অপারেশন) লেঃ কমান্ডার রিফাত মাহমুদ, পাইলট  গোলাম রাব্বানী সহ পাবকের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

এ সময় সুলতানগঞ্জ পোর্টস পিএলসির পরিচালক সদস্য লেঃ জেনারেল (অব:) আবুল হোসেন, মোঃ মাহাবুবুর রহমান, লে. কর্ণেল (অব:) মোঃ আখতার ইকবাল, ড. শামীম আহমেদ. ড. মোহাম্মদ এ.এ. সরদার, লেঃ কর্ণেল (অবঃ) ইমতিয়াজ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Leave A Reply

Your email address will not be published.