বগুড়ায় সবজি সহ নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি \ বিপাকে ক্রেতারা

0 191

বগুড়া প্রতিনিধি:
বগুড়া সবজিখ্যাত হিসেবে পরিচিত হলেও ভরা মৌসুমেও দাম সাধারণ মানুষের সাধ্যের নাগালের বাইবে চলে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। এই শীতের মৌসুমে ভিন্ন রকমের সবজিতে বাজারে উঠলেও দুই একটি সবজির দাম কমলেও বেড়ে গেছে বেশিরভাগ সবজির দাম। এবছর বাজার করা খানিকটা চাপের হয়ে গেছে সাধারণের কাছে, এ সময়ের মধ্যে কয়েক দফায় বেড়েছে নিত্যদিনের অতি নিত্যপণ্যের দাম। দাম বেড়েছে আটা-ডাল, কমছেনা আলুর দাম, বেড়েছে ভোজ্যতেলের দাম, ধীরে ধীরে একসাথে বাড়ায় এর প্রভাব পড়েছে ক্রেতাদের মধ্যে, অবশ্য এদের মধ্যে এখনো প্রথম স্থান দখল করে রয়েছে পেঁয়াজ, প্রতি কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা, বিদেশি পেঁয়াজ কেজিতে ৭০ টাকা।

শুক্রবার বগুড়ার ফতেহআলি বাজার ও শনিবার শেরপুর পৌর শহরের বিকাল বাজার ঘুরে দেখা যায়, শীতকালীন সবজি মুলা ও পেঁপে ছাড়া সব ধরনের সবজির কেজি ৩০ টাকা থেকে ৭০টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে। তুলনামূলক বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে সব ধরণের মাছ, যদিও বিক্রেতারা বলছেন দাম আগের মতই রয়েছে। বেড়েছে এলাচের দাম ,মসুর ডাল কেজিতে ১০ থেকে ১২ টাকা বেশিতে বিক্রি হচ্ছে, ভোজ্যতেল প্রতি লিটার ১০ থেকে ১২ টাকার বেশি বিক্রি হতে দেখা যায়। তবে আদা রসুনের দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা কমেছে বাজারে সব ধরনের চাল বিক্রি হচ্ছে আগের দামে। ডিম প্রতি হালিতে ২ টাকা বেড়ে ৩২টাকা, আটা কেজিতে ৫ টাকা বেড়েছে, এছাড়াও শহরের ফতেহ আলী বাজারে প্রতি কেজি আলু ৩০ টাকা, প্রতি পিছ বড় সাইজ ফুলকপি মান ভেদে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, পাতাকপি মান ভেদে ২৫ থেকে ৩০ টাকা, টমেটো কেজিতে ৫০টাকা গাঁজর ৩০ টাকা, মুলা মান ভেদে ২০ থেকে ২৫ টাকা, মটরশুটি কেজিতে ৮০ টাকা, শিম মান ভেদে ৩০টাকা থেকে ৪০ টাকা, বেগুন ৪০ টাকা, লাউ প্রতি পিছ আকার ভেদে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, আদা ও রসুন ১৬০টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা ব্যবসায়ি মামুন বলেন এখন আর শীতকালিন সবজির দাম কমবে না বরং বাড়বে, চাহিদার তুলনায় বাজারে সরবরাহ কম তাই দাম বেশি।

এদিকে সপ্তাহের ব্যবধানে ব্রয়লার মুরগির নতুন করে দাম না বাড়লেও কেজিতে বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১১০ টাকা, পাকিস্থানি মুরগি ১৮০ টাকা, দেশি মুরগি ৩৪০টাকা থেকে ৩৫০টাকা, গরু-খাসির মাংস, চালসহ বেশির ভাগ নিত্যপণ্যের দাম স্থিতিশীল। ২ থেকে আড়ায় কেজি ওজনের কাতলা মাছ ৩০০ টাকা থেকে ৩৫০টাকায় ২ কেজি ওজনের রুই ২৮০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রয় হচ্ছে।
ফতেহআলী বাজারে আসা নাছিমা আক্তার বলেন বাজারে এসে প্রতি মুহূর্তে নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির কারনে ছ্যাঁকা খেতে হচ্ছে আমাদের মত মধ্যবিত্তদের। হাতের নাগালে নেই কোনো নিত্যপণ্যের দাম। তবে বাজারে মাছ বিক্রেতা আক্কাছ আলী বলেন সপ্তাহের ব্যবধানে মাছের দাম বাড়েনি।
শেরপুরের সবজি বিক্রেতা উত্তম মালাকার বলেন, পাইকারী বাজার থেকে বেশী কিনতে হয় বলে বাজারে মুল্য বৃদ্ধি হয়েছে। তবে কয়েকদিনের মধ্যে বাজার স্থিতিশীল হতে পারে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

x