রৌমারী উপজেলার গ্রামীণ অবকাঠামোর খবর রাখছেন না কেউ

0 ৬৩৮

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: দীর্ঘ ৫২ বছরেও উন্নয়নের ছোয়া লাগেনী যে এলাকাটি সরেজমিনে গিয়ে ওই এলাকার বাস্তব চিত্র গুলো ভিডিও ক্যামারায় বন্ধি করা হয়। এমন বেহাল অবস্তা বাংলাদেশের আরও কোথাও আছে কি না এটি জানা নেই এমন মন্তব্য করছেন সচেতন মানুষ গুলো। ওই এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ আমরা সরকারের কাছে রিলিফের ভিক্ষা চাইনা আমাদের যোগাযোগ ব্যবস্তার উন্নয়ন চাই।

কারন যোগাযোগ ব্যবস্তার উন্নয়ন না হলে ওই এলাকায় জীবনেও উন্নয়ন হয়না ফলে যোগাযোগ ব্যবস্তা সকল উন্নয়নের চাবিকাটী বলে ব্যাখা দেয় সচেতন নাগরীকরা। ভুক্তভোগী ওই এলাকার বাসিন্দা আজাদ আলী,শমশের আলী, জাবেদ আলীসহ আরও অনেকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, রৌমারী উপজেলার সীমান্তঘেষা চর লাঠিয়াল ডাঙ্গা গ্রামসহ প্রায় দশটি গ্রাম একদম যোগাযোগ বিছিন্ন এলাকা।

একটু বৃষ্টি হলেই পায়ে হেটে যাওয়ার মতো পরিবেশ আর থাকেনা। অপদিকে এই এলাকাটির চার পাশে নদী মাঝখানে প্রায় ৩ হাজার লোকের বসবাস যাহা যোগাযোগ বিহিন এলাকা নামেই পরিচিত। আবেগের সঙ্গে অভিযোগ করে বলেন আমাদের এমন দূর্ভাগ্য রাস্তা ঘাট না থাকায় এই এলাকার ছেলে মেয়ে বিয়ে স্বাধী দিতেও চায়না আর নিতেও চায়না এমন পরিচিতিতে জীবনযাপন করছেন এই এলাকার বাসিন্দারা।

চর পাহাড় তলী বাজার থেকে চর রাজিবপুর উপজেলার বালিয়ামরী খেয়াঘাট পর্যন্ত প্রায় ২ কিলোমিটার রাস্তা এই রাস্তায় যেতে হলে পায়ের জুতা মাথায় নিয়ে যেতে হয়। বর্তমান সরকারের আমলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল এখন সহরে পরিনত হয়েছে আর এই অবহেলিত এলাকাটিতে কারই নজরে আসছেনা।

ভুক্তভোগিরা অভিযোগ করে বলেন জনপ্রতিনিধিদের প্রতি বিশ্বাস হাড়িয়ে ফেলেছি তারা ক্ষমতায় আসে শুধু নিজের পরিবার পরিজনদের বড় করতে আর কোন দিকে তাদের নজর থাকেন। অবহেলিত এলাকাবাসিরা সরকারের কাছে জোর দাবী জানিয়েছেন রিলিফ এর ভিক্ষা চাইনা যোগাযোগের রাস্তা গুলো সচলের দাবী জানাচ্ছি।

বিষয় রৌমারী উপজেলা প্রকৌশলী মামুন বলেন আমিতো অফিসে নেই কুড়িগ্রামে যাচ্ছি রবিবারে অফিসে গেলে বলতে পারবো চর লাঠিয়াল ডাঙ্গার বিষয়টি।

Leave A Reply

Your email address will not be published.