সিংড়া উপজেলা আ.লীগের বর্ধিত সভা: রুবেলকে মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের নির্দেশ

0 ৫৮

নাটোর প্রতিনিধি: নাটোরের সিংড়া উপজেলা আওয়ামীলীগের বর্ধিত সভা থেকে উপজেলা চেয়ারম্যন পদপ্রার্থী দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লুৎফুল হাবিব রুবেলকে মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শনিবার বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে দলের এক জরুরী সভা থেকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট ওহিদুর রহমান শেখ এই নির্দেশ দেন।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট ওহিদুর রহমান শেখের সভাপতিত্বে এই জরুরী সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিংড়া পৌরসভার মেয়র জান্নাতুল ফেরদৌস, সিনিয়র সহ সভাপতি ও চৌগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহেদুল ইসলাম ভোলা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা রুহুল আমিন, জেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ও তাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মিনহাজ উদ্দিনসহ উপজেলা এবং ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।

ইতিপূর্বে প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট জুনাইদ আহমেদ পলকের নির্দেশে -সংগঠনবিরোধী কর্মকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ এনে ‘কেন তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হবে না মর্মে ২২ এপ্রিলের মধ্যে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়। এছাড়াও সভায় স্বেচ্ছাসেবকলীগ, শ্রমিকলীগ এবং ছাত্রলীগের যে সকল নেতাকর্মী লুৎফুল হাবিব রুবেলের পক্ষে ১৫ এপ্রিল প্রতিদ্বন্দ্বী উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী দেলোয়ার হোসেন পাশাকে মারধর এবং অপহরণের সাথে জড়িত ছিল তাদের সংগঠন থেকে বহিষ্কারের পরামর্শ দিয়ে জেলা নেতৃবৃন্দকে অনুরোধ জানিয়ে চিঠি প্রদান করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী লুৎফুল হাবিব রুবেল জানান, তাকে দলের সভাপতি অ্যাডভোকেট ওহিদুর রহমান শেখ ফোনে আজকের জরুরী সভার সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন। উপজেলা আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি তার শুভাকাঙ্খীদের সাথে আলোচনা করে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবেন বলে তাদের জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য গত ১৫ এপ্রিল সিংড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিল করায় দেলোয়ার হোসেন পাশা এবং তার দুই সহযোগীকে অপহরণ এবং মারপিট করে বাড়িতে ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা। এই ঘটনায় দেলোয়ার হোসেন পাশার ভাই মুজিবুর রহমান বাদী হয়ে নাটোর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন ।

এতে সিসিটিভির ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা যায় লুৎফুল হাবিব রুবেলের সহযোগীরা এই কর্মকান্ড ঘটিয়েছে এবং অপহরনের কাজে ব্যবহৃত মাইক্রোবাসটির মালিকানাও লুৎফুল হাবিব রুবেলের। সেই সঙ্গে গ্রেফপ্তারকৃত দুইজন আসামির একজন ১৬৪ ধারার জবানবন্দীতে স্বীকার করেছে যে লুৎফুল হাবিব রুবেলের নির্দেশেই তারা এই কর্মকান্ড ঘটিয়েছে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.