২১ শে আগষ্ট গ্রেনেড হামলায় শহীদদের স্মরণে বিএমডিএ’র আলোচনা সভা

0 ৯২

প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ ২০০৪সালে ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে পরিচালিত ইতিহাসের বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলায় শাহাদৎ বরনকারী সকল শহিদের স্বরণে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ প্রধান কার্যালয়ে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

সোমবার (২১ আগস্ট) সকালে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের আয়োজনে বরেন্দ্র সম্মেলন কক্ষে শহিদের স্বরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় শাহাদৎ বরণ কারীদের স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক প্রকৌশলী জনাব আব্দুর রশীদ।
আলোচনা সভা সঞ্চালনা করেন নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ নাজমুল হুদা।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন অতি: প্রধান প্রকৌশলী শামসুল হোদা, অতি: প্রধান প্রকৌশলী ড.মো আবুল কাসেম, অতিঃ প্রধান প্রকৌশলী জনাব মোঃ জাহাঙ্গীর আলম খান, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো শরীফুল হক, বিএমডিএ সচিব ও তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শিবির আহমেদ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এ.টি.এম মাহফুজুর রহমান, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শহিদুর রহমান, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী জনাব সুমন্ত কুমার বসাক, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নাজিরুল ইসলাম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী জীন নুরাইন খান, নির্বাহী প্রকৌশলী সানজিদা খানম মলি, মো: শরিফুল ইসলাম নির্বাহী প্রকৌশলী, মোঃ মুক্তাদিউর রহমান সভাপতি বঙ্গবন্ধু কৃষিবিদ পরিষদ, মোঃ রাহাত পারভেজ, সাধারণ সম্পাদক, বিএমডিএ ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স এ্যাসোসিয়েশন, বিএমডিএ কর্মচারী লীগ, রাজ-৩০৪২ সিবিএ সভাপতি মোঃ মেসবাউল হক, বিএমডিএ কর্মচারী ইউনিয়ন রাজ-১৫০০ এর রেজাউল করিম নির্বাহী সদস্য সহ বরেন্দ্র উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সদর দপ্তর ও অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী, তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, প্রকল্প পরিচালক, নির্বাহী প্রকৌশলী, উপ-ব্যবস্থাপক (কৃষি), মনিটরিং অফিসার ও সহকারী প্রকৌশলীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এসময় ২০০৪সালে ২১আগস্ট গ্রেনেড হামলার উপর একটি ভিডিও চিত্র দেখানো হয়।

উল্লেখ্য, ২১শে আগস্টের গ্রেনেড হামলা বাংলাদেশে ২০০৪ সালের ২১শে আগস্ট ঢাকায় আওয়মী লীগের এক জনসভায় গ্রেনেড হামলা, যে হামলায় ২৪ জন নিহত হয় এবং বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ প্রায় ৩০০ লোক আহত হয়।
১৯ বছরের আগের এ দিনটি বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম ঘৃণ্যতম দিন। দেশে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিকে নেতৃত্বশূন্য করার জঘন্য অপচেষ্টার দিন। দেশের মানুষ আজও কেঁপে ওঠেন দিনটির কথা ভেবে। কত শত মানুষ মনের অজান্তে কেঁদে ফেলেন। স্বজন হারানোরা খুঁজে ফেরেন প্রিয় মানুষের স্মৃতি।

Leave A Reply

Your email address will not be published.