এবার সেঞ্চুরি হাঁকালেন মুমিনুল, শান্তর দেড়শ

0 70
বাংলাদেশ বনাম শ্রীলঙ্কার ম্যাচ। ছবি : সংগৃহীত

পাল্লেকেলেতে টেস্টের প্রথম দিন সেঞ্চুরিতে রাঙিয়েছেন ওয়ান ডাউনে খেলতে নামা নাজমুল হোসেন শান্ত। দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনে এবার সেঞ্চুরি হাঁকালেন মুমিনুল হক। আজ বৃহস্পতিবার লাঞ্চ বিরতির আগে ধনঞ্জয়ার বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে নিজের টেস্ট ক্যারিয়ারের ১১তম সেঞ্চুরি তুলে নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। ২২৫ বলে শতক স্পর্শ করেন তিনি।

(adsbygoogle = window.adsbygoogle || []).push({});

মুমিনুলের সঙ্গে ব্যাট হাতে ছন্দে আছেন শান্তও। এরই মধ্যে দেড়শ রানের মাইলফলক ছুঁয়েছেন তরুণ এই ব্যাটসম্যান।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩৭২ রান। উইকেটে আছেন দুই  সেঞ্চুরিয়ান শান্ত  ও মুমিনুল হক।

 

গতকাল বুধবার পাল্লেকেলে টেস্টের প্রথম দিন দারুণভাবে পার করেছে বাংলাদেশ। নাজমুল হোসেন শান্তর সেঞ্চুরি এবং তামিম ইকবালের বড় ইনিংসে ভর করে প্রথম দিনই তিনশ ছাড়ানো ইনিংস গড়ে সফরকারীরা। আজ সেই ইনিংস বড় করার লক্ষ্যে মাঠে নেমেছে মুমিনুল হকের দল।

গতকাল শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্টের প্রথম দিন আগে ব্যাট করতে নেমে দুই উইকেটে  ৩০২ রান করে বাংলাদেশ।

 

এদিন বড় দুটি জুটির একটিতে শান্তর সঙ্গী তামিম, আরেকটি মুমিনুল হক। চোখধাঁধানো সব শটের প্রদর্শনী মেলে ধরে তামিম আউট হয়ে যান ৯০ রান করে। দেশের বাইরে প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরির আশায় মুমিনুল দিন শেষে অপরাজিত ৬৪ রানে।

 

এদিন ব্যাট করে শুরুতেই হোঁচট খায় বাংলাদেশ। সাদমান ইসলামের বদলে ওপেনিংয়ে সুযোগ পাওয়া সাইফ হাসান আস্থার প্রতিদান দিতে পারেননি। রানের খাতা খোলার আগেই সাজঘরে ফিরেন তরুণ এই ওপেনার।

 

ইনিংসের তৃতীয় ওভারে প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ওভারের প্রথম বলে ফার্নান্দোর বলে এলবিডব্লিউর শিকার হয়ে ফেরেন ওপেনার সাইফ। অবশ্য ফার্নান্দোর এলবির আবেদনে প্রথমে সাড়া দেননি আম্পায়ার। এরপর  অধিনায়ক দিমুথ করুনারত্নে রিভিউ নেন। ফার্নান্দোর লেংথ বল সোজা সাইফের সামনের প্যাডে আঘাত করেছিল। দেখার ছিল, বলটি লেগ স্টাম্পে লাগবে না কি বেরিয়ে যাবে। রিভিউতে দেখা যায় বলটি সোজা স্টাম্পেই হিট করত। দলীয় ৮ রানে প্রথম উইকেটের পতন হয় বাংলাদেশের।

 

তবে শুরুতে উইকেট হারানোর ধাক্কা ভালোভাবে সামাল দেন তামিম। তরুণ ব্যাটসম্যান শান্তকে নিয়ে এগিয়ে যান বড় স্কোরের দিকে। লাঞ্চের আগে এই জুটিতে চড়ে স্কোরবোর্ডে ১০৬ রান তোলে বাংলাদেশ। এর মধ্যে ৫৩ বলে ক্যারিয়ারের ২৯ তম হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন তামিম। পঞ্চাশ ছোঁয়ার পর আগাচ্ছিলেন সেঞ্চুরির দিকে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হলো না। সেঞ্চুরি থেকে ১০ রান দূরে থেকে সাজঘরে ফিরেন তামিম।

 

৯০ রানের মাথায় ফার্নান্দোর বলেই স্লিপে ক্যাচ দিয়ে আউট হন দেশসেরা ওপেনার। ১০১ বলে তাঁর ইনিংসটি সাজানো ছিল ১৫টি বাউন্ডারি দিয়ে। বাঁহাতি পেসারের অফ স্টাম্পের বাইরের বল গ্লাইড করার চেষ্টা করেন তামিম। বল একটু বেশি লাফিয়ে ব্যাটের কানা ছুঁয়ে চলে যায় স্লিপে ফিল্ডারের হাতে। ১৪৪ রানে থামে শান্ত-তামিমের জুটি।

 

তামিম ফেরার পর মুমিনুলের সঙ্গে জুটি বাঁধেন শান্ত। ব্যক্তিগত সপ্তম টেস্ট খেলতে নেমে দারুণ দৃঢ়তা দেখান। তামিমের মতো ভুল না করে এগিয়ে যান তিনি। একই সঙ্গে মুমিনুলও উইকেটে থিতু হয়ে যান। এই জুটিতে চড়ে ভালোভাবে দিন শেষ করে বাংলাদেশ।

 

এর মধ্যে টেস্ট ক্যারিয়ারে প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন শান্ত। তিন অঙ্কের ঘরে যেতে ২৩৬ বল খেলেছেন তিনি। তাঁর শতকটি সাজানো ছিল ১২ বাউন্ডারি ও এক ছক্কায়।

 

Leave A Reply

Your email address will not be published.

x