বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা আমনের চারা কিনতেই হিমসিম খাচ্ছেন

0 ৬৯৪
মাজহারুল ইসলাম, রৌমারী কুড়িগ্রাম প্রতিনিধিঃ উজান থেকে নেমে আসা ঢলের পানিতে কুড়িগ্রামের রৌমারী ও রাজিবপুরেন বন্যায় সর্বসাকুল্যে ১ হাজার হেক্টর জমির রোপা আমনের ক্ষতি স¦াধিত হয়েছে। একইসঙ্গে শীতকালীন সাক সবজি, মাছ চাষিদের পুকুরের মাছও বানের পানিতে ভেসে গেছে বলেও জানা গেছে। উপজেলা কৃষি অফিস ও উপজেলা মৎস্য দফতর কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
চলতি মৌসুমে দুই দফা বন্যার পানিতে তলিয়ে থাকা আমনের ক্ষেত পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে জেগে উঠে আমনের পচা ক্ষেত। পচে যাওয়া দৃশ্য দেখে অবাক চোখে তাকি দেখছে কৃষির উপর নির্ভরশীল কষকরা। ঘুরে দ্বারাবার লক্ষে আবারও আমনের চারা সংগ্রহ করতে ব্যস্ত হলেও চারার বাজারে কিন্ত আগুন জ্বলছে। ৮০ আটিতে ১ পোন যার মূল্য বর্তমান বাজারে ৮০০ থেকে ১৪০০ টাকা পর্যন্ত ক্রয়বিক্রয় করতে দেখা গেছে রৌমারী ও রাজিবপুরের হাটবাজার গুলোতে। তারপরও হাল ছাড়ছে না কৃষির উপর নির্ভরশীল কৃষকেরা। সরেজমিনে গিয়ে কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে এক বিঘা জমির আমনের চারা কিনতে হচ্ছে ১০ হাজার টাকায়। ১০ হাজার টাকার চারা হলে ৬২ শতকের এক বিঘা জমি রোপন করা যায়। তারা বলছেন আমাদের লাভ লস দেখার সময় নেই কারন আমরা সবাই কৃষির উপর জীবনযাপন করে থাকি।
 প্রতিটি ইউনিয়নের একঅংশে এক্ষতি স্বাধিত হয়েছে বলে জানা গেছে। রৌমারী উপজেলা কৃষি অফিসের বরাত দিয়ে জানা গেছে চতিমৌসুমে ১০ হাজার হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছিল। লক্ষমাত্রা ছাড়িয়ে আমনের চাষ করে রৌমারীর আমন চাষি কৃষকরা। তবে দূর্ভাগ্য উজান থেকে নেমে আশা পাহাড়ি ঢলে ¯্রােতে পিষ্ট হয়েছে শত শত কৃষকের রোপণকৃত আমন ধান। এনিয়ে হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে রৌমারী – রাজিবপুরের কৃষির উপর নির্ভরশীল কৃষকরা।
বন্যায় কৃষকের ক্ষয়ক্ষতির বিষয় রৌমারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাইয়ুম চৌধরী জানান রোপা আমনের চলতি মৌসুৃমে ১০ হাজার হেক্টর জমিতে লক্ষমাত্রা ধরা হলেও কৃষকরা চাষ করেছে বেশি। রোপন চলাকালীন হঠাৎ উজান থেকে নেমে আশা বন্যার পানিতে বেশকিছু এলাকার রোপনকৃত ধান তলিয়ে যায় ৮২০ হেক্টর জমির ধান। তিনি আরও জানায় কৃষকরা
ঘুরে দ্বারানোর জন্য বিভিন্নভাবে চারা সংগ্রহ করে আবার ওই জমিতে রোপা আমন চাষ করছে আশা করি কৃষকরা ঘুরে দ্বারাবে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.