বার্ড ফ্লু: মাংস-ডিম খাওয়া কতটা নিরাপদ?

0 24

মহামারির কারোনার জ্বালায় জীবন অতিষ্ট। তার ওপর আবার নতুন আতঙ্ক ‘বার্ড ফ্লু’। ভারতের রাজস্থান, হিমাচল প্রদেশ, কেরালা, মধ্যপ্রদেশে হাজারো কবুতর, কাকা, হাঁস-মুরগির মৃত্যু হয়েছে।

জানা গেছে, মৃত পাখিদের শরীরে এইচ৫এনএ ভাইরাস মিলেছে। চিকিৎসকদরে মতে বার্ড ফ্লু H5N1 ভাইরাস জনিত কারণে হয়। বার্ড ফ্লু যখন মানুষের মধ্যে প্রবেশ করে তখন তা মারাত্মক হতে পারে। এই ভাইরাস মানুষের জন্যু প্রাণঘাতি হতে পারে।

এই পরিস্থিতিতে প্রত্যেকের মনেই প্রশ্ন জাগছে, তাহলে কি মুরগির মাংস আর ডিম খাওয়া বন্ধ? হাঁস-মুরগির মাংস ও ডিম খেলে কি বার্ড ফ্লু হতে পারে? অনেক মানুষ ইতিমধ্যেই ভয়ে মাংস আর ডিম খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন। বিভিন্ন জায়গায় এই সমস্ত জিনিসের দামও কমেছে।

এ নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) কিছু পরামর্শ দিয়েছে। তাহলে দেখে নিন করণীয়-

১. বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার মতে কাটা মুরগি না কেনাই ভালো।

২. মাংস রান্নার আগে অবশ্যই ভালো করে ধুয়ে নিন।

৩. কাঁচা, আধা সিদ্ধ ডিম খাওয়া যাবে না।

৪. কাঁচা মাংস যে পাত্রে রাখবেন, সেই পাত্রে অন্যকিছু বা রান্না করা মাংস রাখবেন না।

৫. যে ছুরি বা বটি দিয়ে মাংস কাটবেন, সেই ছুরি দিয়ে সবজি বা অন্য কিছু কাটবেন না।

৬. কাঁচা মাংস বা ডিম যাতে তৈরি করা খাবারের সংস্পর্শে না আসে সেদিকে খেয়াল রাখবেন। না হলে সংক্রমণের ভয় থাকে।

৭. হাত ভালো করে ধুতে হবে। ডিমে হাত দেওয়ার পর ভালো করে হাত ধুয়ে নিন।

৮. হাঁস-মুরগির মাংস বা ডিম বেশ ভালোভাবে রান্না করে খেলে কোনও সমস্যা নেই। তেবে রান্নার সময় তাপমাত্রা যেন অবশ্যই ৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি থাকে। সে ক্ষেত্রে ভাইরাস বেঁচে থাকতে পারে না। মাংস যাতে কাঁচা না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখবেন।

৯. পোলট্রিজাক পাখি হাতে নেওয়ার পর অন্তত ২০ সেকেন্ড গরম পানিতে হাত ধুয়ে তবেই রান্না করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।

১০. বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ অনুযায়ী, পোলট্রিজাত খাবার ভাল করে রান্না করে খেলে, বার্ড ফ্লু সংক্রমণের কোনও ভয় নেই। তবে অবশ্যই
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে হবে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.