ব্যাংক লোন সুবিধায় প্রবৃদ্ধি এসেছে মঙ্গোলিয়ার রিয়েল এস্টেট খাতে

১৩৮

সম্প্রতি ক্রমবর্ধমান প্রবৃদ্ধি হয়েছে মঙ্গোলিয়ার রিয়েল এস্টেট খাতে। রিয়েল এস্টেট ব্যবসার মানদন্ড পূরণ করে এমন প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং সরকার ব্যাংক ঋণ প্রদানের মাধ্যমে সহয়তা করার ফলে এ সাফল্য আসছে। সংবাদ সূত্র: A24 News Agency

তরুণ ব্যবসায়ীদের জন্য এটি এক দুর্দান্ত সুবিধা। পরিসংখ্যান অনুযায়ী উলানবাতারের ২ লক্ষ ১০ হাজারেরও বেশি পরিবারের আগামী পাঁচ বছরে একটি করে নতুন অ্যাপার্টমেন্ট প্রয়োজন কিন্তু মাত্র ১৬ শতাংশ বা ৩৫ হাজারের বেশি পরিবারের এ সক্ষমতা আছে।

অন্যরাও এ প্রয়োজন মেটাতে ব্যাংক লোনের শরনাপন্ন হবে, যা রিয়েল এস্টেট খাত ও ব্যাংকগুলোকে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি এনে দেবে এবং এগুলিকে দ্রুত প্রবৃদ্ধির দিকে নিয়ে যাবে। এ ধরনের ঋণ নিতে সহায়তা করে এমন একটি প্রতিষ্ঠান এমএমই কনসাল্টিং।

এর পরিচালক চ. মুনখাবায়েরের মতে, ”উলানবাতার ২০১৪ থেকে ২০১৯ এর মধ্যে ৪৬১ প্রকল্পে মোট ৮৩ হাজার ২০০ বাসস্থানের কমিশন পেয়েছে। এগুলোর প্রায় ৮০ শতাংশ হচ্ছে এমন বাসা যেগুলো আবাসন শর্ত পূরণ করে। এতে রিয়েল এস্টেট ব্যবসা দ্রুত বাড়ছে এবং আমারে কাজের গুরুত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে।”

এদিকে, স্থানীয় বগদ ব্যাংকের পরিচালক জি. এনখ- অচির জানিয়েছেন মঙ্গোলিয়ার বন্ধকী ঋণ সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য, ”মঙ্গোলিয়ায় দুই ধরনের বন্ধকী ঋণ পাওয়া যায়। একটা হচ্ছে ব্যাণিজিক ব্যাংকগুলো তারে অর্থ থেকে তহবিল দেয়; আরেকটা হচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং সরকার ঋণ দিতে একসাথে কাজ করে।

মঙ্গোলিয়ার বন্ধকী ঋণ প্রকল্পগুলো মূলত মধ্যবিত্ত বা তরুণ যারা সমাজকে এগিয়ে নেয় এমন সব লোকদের জন্য। এমন অবস্থায় বেশির ভাগ ক্রেতাই তরুণ কারণ বাজার মূল্য আছে এমন সম্পত্তির সঙ্গে তুলনা করলে নগদ অর্থে ক্রয় ক্ষমতা মঙ্গোলিয়ার খুব অল্প সংখ্যক লোকেরই আছে। এ কারণনেই বন্ধকী ঋণ খুব কার্যকর।”

২০২০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ১ লক্ষ চারশত ছিয়ানব্বই জন ঋণগ্রহীতার মোট ৪ হাজার নয়’শ উনিশ বিলিয়ন বন্ধকী ঋণ রয়েছে। এ বিপুল পরিনাম অর্থ ব্যাংকি খাত সহ রিয়েল এস্টেট খাতগুলোতে সাফল্যের বার্তা নিয়ে এসেছে।

Comments are closed.